শীত বস্ত্র উত্তোলন কে ট্র্যাডিশন বানাইয়া ছাড়ছে বটে!

শীত বস্ত্র উত্তোলন কে ট্র্যাডিশন বানাইয়া ছাড়ছে বটে! শীত বস্ত্র উত্তোলন কি ট্র্যাডিশন হতে পারে?
একটা সাধারণ বিষয় হয়তো ভেবে দেখা হয় না। আমি একজন সাধারণ মানুষ। আমাকে কেন আরেক জন সাধারণ মানুষের কষ্টের দায়টা নিতে হবে?
শীত বস্ত্র উত্তোলন কার্যক্রমগুলো দেখে ভাবছি বিষয়টা কেমন যেন অভ্যাসে টার্ন করতেছে। মানে শীত আসবে। শীতার্ত মানুষ হবে। আমরা হায় হায় করে উঠবো। তারা মারা যাবে। আমাদের মন হু হু করে উঠবে। তারপর এলাকা/ দল নানা নানা সংগঠন নানা আয়োজন এর মধ্য দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবেন।
যত সহায়ই করা হচ্ছে, হয় বা হবে, এই অসহায় মানুষের সহায় আর হয় না। লং টার্ম সমাধান নাই। শর্ট টার্ম এন্টিবায়োটিক থ্যারাপি চলছে। আমরাও কম ভাঁড় নই। তাদের অসহায়ত্ব কে পুঁজি করে ছবি খিচিয়ে আমাদের প্রোফাইল না রাঙালে তো শীতটা জমে না। ছিঃ

প্রজাপতি উড়ছিল

প্রজাপতি উড়ছিল। ছেলেটাও চাইছিল প্রজাপতিটা একটু ভালো করে দেখে নিতে। প্রজাপতি মনে মনে ভাবল, ছেলেটাকে তার রূপ এতো সহজে দেখতে দিবে না। সে দ্রুতই পাখা ঝাপটায়। এক ফুল থেকে আরেক ফুলে বেড়ায়। তাতে প্রজাপতিকে লাগছিল আরো সুন্দর।

ছবিটা আরেকটু ভালো হতে পারত যদি দুটি মুরগি ছানা থাকতো

শিল্পী একটি ছবি আঁকা মাত্রই শেষ করলেন। নিজের চিত্রকর্ম দেখে তাকে যথেষ্ট আনন্দিত মনে হচ্ছিল। বড়রা ছবিটা দেখে বেশ তারিফ করলেন। একজন বলে বসলেন, ছবিটা ফ্রেম করে বাঁধিয়া রাখার মতন।
শিল্পী প্রশংসায় সামান্য পুলকিত। চিত্রকর্মটি তেমন বেশি কিছু নয়। একটা সাধারণ গ্রামের দৃশ্য। আঁকাটি সম্পর্কে বাড়ির সবার ছোটকে জিজ্ঞাসা কলা হল। ছোট বিজ্ঞের মতন জবাব দিল, ছবিটা আরেকটু ভালো হতে পারত যদি দুটি মুরগি ছানা থাকতো। আরো ভালো হত যদি একটা মানুষও থাকতো।

শব্দ অপচয়, শব্দ(কথা) দূষণ

সাতশ অধিক শব্দ লিখার পর মনে হল, এতো কথা লিখবো, মানুষ কেন কষ্ট করে পড়বে?
শব্দ অপচয়, শব্দ(কথা) দূষণ এগুলাই আমাদের অভিধানে আসুক। মানুষ বুঝতে থাকুক সব শব্দ প্রয়োজন নেই আসলে। …

পাবলিকের ওই হ্যাডমগিরি

এক বাস কাউন্টারে বসে ছিলাম। কাউন্টারে ছিল ওয়াল ফ্যান (ওই যে টেবিল ফ্যান ওয়ালে ঝুলাই রাখে, সুতা দিয়ে সুইচ কানেক্ট হয় ওগুলা)
একটা কাজে বসে অপেক্ষা করছি। বন্ধু আসবে। ওইখানকার এক ২০-২২ বছরের ছেলে ফ্যানের সুতা ধরে হেচকা টান মারল। টান মারা কারণে সুতার নিচের অংশ গেল ছিড়ে। কাউন্টারের দুজন লোক ছিল, তারা দিলো মৃদু ধমক! কাউন্টারের লোকের মৃদু নায্য ধমকের জোরে ওই ছেলের প্রেস্টিজ যেন ভাঙা কংক্রিটের দেয়ালের মতন খুয়ে খুয়ে পড়তে লাগলো। শুরু হল তর্কা তর্কি। তার পরিচয় হ্যান ত্যান তাকে কেন মৃদ্যু ভৎর্সনা করা হইলো তার জবাব কি? এদিকে আরেক কাউন্টারের লোক ছেলেটাকে হালকা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। প্রেস্টিজ তো আর থাকে না! ফোন দিলে ওই ছেলের হ্যাডমদের! তারা আসলো। আসা মাত্রই শুরু হল দুমাদম মার। কাউন্টারের লোক মার খেতেই থাকলো ১০-১২ জনের ছেলের হাতে। শার্ট ছিড়ে তাদের মোটামুটি শায়েস্তা করার পর কোথা থেকে বাংলা সিনেমার মতন, মূল ঘটনা সুসমাপ্ত হবার পর পুলিশের আবির্ভাব। আমি অবাক হৈলাম, পুলিশের সামনেই তারা চলে গেল পুলিশ ধরলো না। পুলিশ আগে ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন!
Continue reading…

বাপের কাছে বায়না ধরে গ্যাজেট বাড়াইয়া ইশটেটাশ বাড়ানো সম্ভব কিন্তু ব্যক্তিত্ব বাড়াইতে হইলে নিবিড় চর্চা ও দীর্ঘদিনের পরিশ্রম প্রয়োজন

গ্যাজেট বাড়াইয়া স্ট্যাটাস বাড়ানোর দিকে আমাদের যতটা মনযোগ ব্যক্তিত্ব বাড়ানোর দিকে মনযোগ ততটাই কম।
অদ্ভুদ হলেও সত্য, এখনকার সমাজে আইফোন, নকিয়া লুমিয়া, স্যামসাং গ্যালাক্সি কিংবা ডিএসএলআরকে স্ট্যাটাস লেভেল করার উপায় বিবেচিত করা হয়। কিন্তু কথা এটা নয়। টাকা থাকলেই যে ওই গ্যাজেট নির্ভর স্ট্যাটাস ধরা যায় তা কিন্তু প্রকৃত স্ট্যাটাস মূল্যায়ন করে না। হাস্যকর হলেও সত্যি আমি অবাক হই হচ্ছি, হাল আমলের স্মার্ট ফোন অনেক কাজ বৃদ্ধাঙ্গলের নাগালে আনতে পারলেও কমনসেন্স নামক জিনিসটা দুলর্ভ ই রয়ে গেছে। তাই দেখা যায়, গ্যাজেটওলারা রাস্তায় হাটতে চলতে ফিরতে বৃদ্ধাঙ্গলির কায়দা কসরত করতে করতে হাটেন। কখনো কাওকে মাড়িয়ে যান। কখনো নিজেও বিব্রত হন। তাদের সময় সচেতনতা দেখে ভালো লাগে। তাদের শেয়ারিং কেয়ারিং মনোভাব ভালো লাগে। কিন্তু একই ভাবে তারা ব্যর্থ হন সাধারণ কমনসেন্স প্রয়োগ করতে। যার কারণে কারো সাথে কথা বলা সৌজন্যতাবোধ নিয়ে তাদের মাথা ব্যাথা থাকে না। মজার দুনিয়ায় সব যেন ফানি!
টাকা হলেই, বাপের কাছে বায়না ধরে গ্যাজেট বাড়াইয়া ইশটেটাশ বাড়ানো সম্ভব কিন্তু ব্যক্তিত্ব বাড়াইতে হইলে নিবিড় চর্চা ও দীর্ঘদিনের পরিশ্রম প্রয়োজন।

মহাকাশ গবেষণা মানে কেবল ভিন গ্রহে প্রাণ অনুসন্ধান না

ইতিহাস সৃষ্টি করে ভারতের মঙ্গল যান মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথে – এ সংক্রান্ত বাংলা সংবাদগুলো পড়ছিলাম। পুরনো খবর। পড়তে পারি নাই তাই পড়ছিলাম। অনেক পত্রিকা লিখছে যানটি মঙ্গলগ্রহে পৌছেছে (!!!) হা হা
আমরা কখনো এভাবে কি ভেবে দেখি, কি পরিমাণ টেকনোলজিক্যাল উন্নয়ন করলে পরে এরকম একটা অভিযান করা সম্ভব? আমরা কেবল নিউজটা পড়েই অন্য নিউজ ক্লিক করে বা স্ক্রোল করে চলে যাই।
Continue reading…

এক স্মার্ট

সেদিন দেখলাম, এক স্মার্ট ব্যস্ত রাস্তায়, এক স্ম্যাট ইয়ং ছেলে, স্মার্ট ফোন স্মার্ট কায়দায়, বৃদ্ধাঙ্গলি দিয়ে টিপাটিপি করতে করতে নগরীর স্মার্ট ম্যানহোলে পড়ে গেল। যেহেতু স্মার্ট কায়দায় পড়েছে তাই ম্যানহোলে অর্ধেক পড়ে আটকে গেছে। তৎক্ষাণিক উঠে যাবার পরপরই, শরীর ঠিক আছে কিনা তার চেয়েও বেশি জুরুরী স্মার্টফোনটা!! – এটা হৈলো এযুগের স্মার্টনেস!

কিছু শব্দ শুনি কান দিয়ে, আর কিছু শুনি মন দিয়ে

কিছু শব্দ শুনি কান দিয়ে, আর কিছু শুনি মন দিয়ে। মন দিয়ে শোনা শব্দগুলো কম্পনে/তরঙ্গে উৎপন্ন হয় না।
মন দিয়ে শোনা শব্দগুলো শোনতে গেলে লাগে মন। সেই মনে বড় ক্লান্তি। ক্লান্তির ছাপ। মনের শব্দগুলো শুনতে শুনতে। … বিরতি দরকার।

কুরবানির ঈদ

আমি নিজে খুব ভীতু প্রকৃতির মানুষ। ছোট বেলায় খুব সাহস ছিল হয়তো অন্যদের মতন। এখন নাই। কারণ জানি না। ভীতু এই অর্থে বললাম আমি কুরবানির সময় জবাই করা দেখতে পারি না। একদম ই পারি না। কাটাকাটি খুব প্রয়োজন না হলে করিও না। এইবার কোনভাবে বাসায় ম্যানেজ করতে পারছি। আমাকে কাটাকাটি করতে হচ্ছে না। কেবল মাংস গিয়ে নিয়ে আসতে হবে।
Continue reading…