দিপুদের বাসায় পহেলা বৈশাখ আনন্দ আয়োজন!

আমরা খেতে পছন্দ করি এমনটা না বলে আমাদের মায়েরা খাওয়াতে বড় বেশি পছন্দ করেন এটা বললে বরং অধিকতর যুক্তি সংগত হয়। কেবল সরল ভালোবাসা আর নির্মল আনন্দ এর জন্য এত আনন্দ আর ভালোবাসা যে মায়েরা দিতে জানেন তা ভেবে কখনই হতাশার পৃথিবীতে হতাশ হই না। হাসি খুশি আর নির্মল আনন্দ এখনো রয়েছে পাশাপাশি দুশ্চিন্তা, হতাশা, দুর্ঘটনা ইত্যাদি নেতিবাচক শব্দগুলোও রয়েছে। সব মিশ খেয়ে এখনো বেঁচে আছি বলা যেতে পারে।
Continue reading…

অক্টোবর ১০

গতকাল সবাই মিলা রূপম ভাইরে জ্বালাইছি। সেটার শাস্তি স্বরূপ উনি বাসায় তলব করলেন। আমি তো মহাখুশী। ফাউ ফাউ মজার রঙ চা খামু। ঝাড়ি না হয় এক কান দিয়ে ঢুকাইয়া আরেক কান দিয়া বাইর করে দিমু। গেলাম। দু কাপ রঙ চা খাওয়া হল। সাথে গেছিলে দরিদ্র। দরিদ্র একটু বেশি খায় বলে মাংস দিয়ে বানানো নুডলস ছাপা করে দিয়ে আসছে। আমি নুডলস খাই না।
Continue reading…

দীর্ঘ ব্যস্ততা সারাদিন

গতকাল রাতে ১০ টায় এক ক্লায়েন্ট এর সাথে মিটিং ছিল। মিটিং করতে ইস্কাটন যাবার পথে, শাহবাগে ব্যাপক জ্যাম। হেটে যেতে হলো। মিটিং এ পৌছাই রাত সাড়ে ১১ টার দিকে। খুব ক্লান্ত হয়ে রিকশায় ফিরলাম মুগদায়। সাথে ছিল দিপু। না খাইয়ে দিপুকে ছাড়া যায় না। রাত বাজে তখন ১টা। সব খাবার দোকান বন্ধ। এসময় হুমায়ূন আহমেদের হিমু বেঁচে থাকলেও, মধ্যরাতে কোন খানা দানা জোগাড় করতে পারতো কিনা আমার সন্দেহ! তবে, মুগদা এমন এক জায়গা সেখানে সবই সম্ভব। অনুমান ঠিক ছিল। আল্লার দানে তেহারী পাইলাম। গরম গরম তেহারী খেলাম। দিপুকে রিকশায় উঠিয়ে দিয়ে বাসায় রাত দেড়টায়, ভাবলাম একটু জিরিয়ে নেট এ বসবো। ঐ জিরিয়ে নেয়ার সময় চোখ বন্ধ করছি উঠে দেখি সকাল হয়ে গেছে!!!
Continue reading…

স্নেহার কীবোর্ড

Mahtab ভাইদের বাসায় গিয়েছিলাম আমার একটা কাজ বুঝে নিতে। ভাইদের বাসায় সবচেয়ে ছোট সদস্য স্নেহা। সারা দিন শয়তানি দুষ্টুমি হৈ হল্লোড় করে। কিন্তু আমি গেলেই মুখ বন্ধ। একদম চুপ। তখন দুষ্টুমি করে অল্প অল্প। আমি জানতাম না ঐ সময় স্নেহার ভাত খাবার সময়। ভাত খাবার সময় সে আবার তার পাশের ফ্লাটের বারান্দায় আসা বন্ধু বান্ধবীদের সাথে গল্প করতে করতে খায়। আন্টি খাওয়াই দিচ্ছিল আমি থাকায় সে কথা বলছিল না। কিছুক্ষণ পর দেখা গেল দুহাত রেলিং ঝুলিয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে 🙁 ব্যাপার টা বুজে আমি অন্য রুমে চলে গেলাম। 🙂 ছোট মানুষদের কত রকম গল্প যে থাকতে পারে ভাবতেছিলাম।
Continue reading…

অন্তরার জন্মদিন এবং ভোজন গল্প

৯ তারিখ ছিল অন্তরার জন্মদিন! আমি আবার অন্তরার মামা চাচা দুটিই হই। সংক্ষেপে মাচ্চু 😛 জন্মদিনের ঘরোয়া অনুষ্ঠান বেণুকা আপা করলেন, পরদিন ১০ তারিখ। আমি গেলাম। ব্যাপক আনন্দ মজা হল। অন্তরার সাথে খেলাধুলা করা হল। বিমান চালানো, গল্ফ খেলা সবই হল। 🙂 ফটোসেশন হলো। গড়ে তিন জনের মধ্যে একজনের একটা করে ক্যামেরা। আমি লজ্জা পেয়ে আর মোবাইলের ক্যামেরাটা বের করি নাই 😀

অন্তরা তার বান্ধবী স্নেহাকে নিয়ে ৩টা মোমবাঁতি তিন বারে ফুঁ দিয়ে নেভালো। আমরা তালি দিলাম। এবার কয়েক ধাপে চললো ছবি তোলা। এত এত ছবি তোলার পরও আমাদের দোলা আপার ছবি তোলায় মন ভরে নাই। তিনি আরো ছবি তুললেন। আমি একটা ক্যামেরা ধার করে পোট্রেট তোলার চেষ্টা করলাম। মজার মজার ছোট ছোট কান্ড ঘটলো যা লেখাতে বুঝানো সম্ভব নয়। 🙂
Continue reading…

খানা দানা সারাদিন

আজকে মানে গতকাল আম্মু আম আর কাসুন্দি দিয়ে মাখিয়ে খাওয়াইছিল। মনটা ফুরফুরে লাগছিল। বিকাল পর্যন্ত কাজ করছিলাম। ঝিমুনি চলে আসে। ভাবলাম কফি কিনে আনি। দোকানে যেতে যেতে এক বড় ভাইকে দিলাম ফোন। তিনি বললেন বাসায় চলে আসো, কাজ করতেছি।

গেলাম। কেমিক্যাল মুক্ত আম খেলাম। 🙂 অতপর সালাম ডেইরির মিষ্টি আর সুরা গিলতে গিলতে কাজ করছিলাম। ভাইয়ের এক্সেল শীট এ সংখ্যা উঠাইতে উঠাইতে প্রয়োজন হল স্ট্যাপলার পিনের। বড় ভাইয়ের সাথে নিচে নেমে প্রথমে খেলুম সবজি পরোটা। তারপর খেলুম সালাম ডেইরির সেই রকম মিষ্টি 🙂 বাসায় আসার পর কারেন্ট নাই। বড় ভাই নিজের হাতে আম ছেইচ্চা সরবত বানাইয়া দিলেন। তাদের দক্ষিণা বারান্দায় বসে আমের জুস পান করতে থাকলাম। কারেন্ট আসার পর বিরতিতে আবার চা!

সবশেষে বাসায় ফেরার সময় হয়ে আসছে, রাতে খানা খেয়েই এলুম। রুই মাছের মাথা রান্না এবং সেই রকম একটা ডাল! এক কথায় অসাধারণ। 😀

মুগদা এসে বন্ধু দরিদ্রকে ফোন দিলাম। দরিদ্র ওয়াপদাগলির এক মাথা থেকে আরেক মাথায় দৌঁড়াইতেছে। কারণ তার বাসায় খানা নাই :/ আন্টি গেছে গাজীপুর 🙂
আমার আজকের খাবার ফিরিস্তি শুনে স্বভাবতই দরিদ্র এর মন খারাপ 🙁 দরিদ্রকে ভালো বুদ্ধি দিলাম বড় বাজার ছোট খাবারের দোকানটাতে খেতে। সেকথা রাখলো না। সে বড় বাজার বড় হোটেলে বড় বোয়াল মাছ অর্ডার করলো। যথারীতি যা হবার তাই। এক প্লেট কষ্ট করে লেবু কচলিয়ে কোন মতে খেয়ে সিপিতে বসে ফান্টা দিয়ে পেট ভরতে হল শেষমেশ। হাফ সাইজের ফান্টা সম্রাট আমি আর দরিদ্র তিনভাগ করে খাবার পরও দরিদ্র আরো ছোট দুটি ফান্টা পান করলো। তার ভাষ্যমতে, বিজয়ীরা একই কাজ ভিন্নভাবে করে। যেহেতু আমরা একবার ফান্টা খেলাম সেহেতু তার ফান্টা খেতে হবে তিনবার 🙂

সবশেষে, ১০ টাকায় ২টা মশার কয়েল কিনে বাসায় আসলাম।

খিচুড়ী খেলাম। সাথে ছিল খাসীর মাংস!

অনেক দিন খানা দানা বিষয়ক স্টেটাস দেয়া হয় না। সেজন্যই ঠিক তা না। আজ এতো স্বাদের খাবার খেলাম তা সবাইকে না বললেই নয়। যারা এই সকালে এখনও নাস্তা করতে পারে নি, নাস্তা না করে সকাল সকাল অফিসে আসছে, পড়াশুনা করতে আসছে তাদের জন্য বিরাট আফসোসের বিষয় হবে!! হে হে
আজ দেশের বাড়ী থেকে পাঠানো কাঁচা আমের আচার দিয়ে গরম গরম খিচুড়ী খেলাম। সাথে ছিল খাসীর মাংস!!! মুহা 🙂 আম্মা খিচুড়ী আজ সেইরকম মজা করে রাঁধছে।

দরিদ্র জন্মদিন উদযাপন সারা দিন

দিনটা বিশেষ ভাবে উদযাপন করার ইচ্ছা ছিল। নানা জটিলতায় আর করা গেল না। কিন্তু সেই আক্ষেপ আর রইলো যখন জানতে পারলাম সারা দেশবাসীর নানা আয়োজন এর খবর।
Continue reading…

রাসেল

গত সপ্তাহে হঠাত গ্রামীণ নাম্বার থেকে আসা একটা ফোন। ফোনে হুমকী ধামকী। আমাকে জিজ্ঞাসা করছে, আমি তাকে চিনি কিনা! পরে গেলাম বিপদে। খুব পরিচিত গলা মনে হচ্ছিল। কিন্তু মনে করতে পারছিলাম না কিছুতেই। বললাম, ভাই চিনি তো অবশ্যই তবে মনে যে আসতেছে না। লজ্জার স্কেল ভেংঙ্গে কয়েক টুকরা হয়ে গেলো যখন জানতে পারলাম, ফোনে ওপারের গলা আমার বাল্য স্কুল বন্ধু রাসেলের। 🙂
Continue reading…