রাসেল

গত সপ্তাহে হঠাত গ্রামীণ নাম্বার থেকে আসা একটা ফোন। ফোনে হুমকী ধামকী। আমাকে জিজ্ঞাসা করছে, আমি তাকে চিনি কিনা! পরে গেলাম বিপদে। খুব পরিচিত গলা মনে হচ্ছিল। কিন্তু মনে করতে পারছিলাম না কিছুতেই। বললাম, ভাই চিনি তো অবশ্যই তবে মনে যে আসতেছে না। লজ্জার স্কেল ভেংঙ্গে কয়েক টুকরা হয়ে গেলো যখন জানতে পারলাম, ফোনে ওপারের গলা আমার বাল্য স্কুল বন্ধু রাসেলের। 🙂
Continue reading…

এক কাপ চা মজা করে খা

ক্রমশঃ মায়ের বানানো চা এর প্রতি আকর্ষণ বাড়তেছে। লক্ষণ ভালো। বাইরে চা আর খামু না। পয়সা নষ্ট। চা বিষয়ে প্রসঙ্গ যখন আসলো, তখন বলতেই হয় মুগদা পাড়াতে বৈচিত্রপূর্ণ চা এর দোকানগুলোর কথা। সন্ধ্যাবেলা কিংবা বাজার করে ফেরার আগে বন্ধুকুল মিলে এক কাপ চা, পান প্রতি দিনকার বিষয়।

Continue reading…

মধ্যরাতে বাসি পোলাও

মধ্যরাতে বাসি পোলাও খাওয়া হুমায়ূন আহমেদের গল্প তে পাওয়া যায়। কথা নেই বার্তা নেই হুট করে মধ্যরাতে পোলাও খাওয়ার ইচ্ছা হয় এবং তা পূরণ করা সম্ভব কেবল হুমায়ূন আহমেদ কল্পনাতেই। কল্পনা হোক যাই হোক, হয়তো লেখকের মাঝে মধ্যে বাসি পোলাও খেতে ইচ্ছা করত। অনেক রাত পর্যন্ত লেখার পর খিধা পেলে তার মনের ইচ্ছা বাসি পোলাও হয়তো হিমু কে দিয়ে খাওয়াতেন নয়তো, অন্য কোন গল্পের চরিত্র দিয়ে সুসমাপ্ত করতেন। এতেও শান্তি আছে। কল্পনা করার শান্তি।

Continue reading…