যুক্তি তর্কের অসাধারণ একটা সিনেমা 12 Angry Man !

যুক্তি তর্কের অসাধারণ একটা সিনেমা 12 Angry Man !

কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আমরা ব্যক্তিগত অনুভূতি, রাগ ক্ষোভকে ভুলে থাকতে পারি না। সিদ্ধান্ত নিতে এগুলা প্রভাব ফেলে। অন্য কারো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে তো বটেই, সংগঠন কিংবা ব্যক্তি যেখানেই সিদ্ধান্তের প্রশ্ন আসে তখন মাথা ঠান্ডা রাখা পয়লা কাজ।

উত্তেজিত অবস্থায় মানুষ সিদ্ধান্ত সঠিক নিতে পারে না সেটা জানার পরও দেখা যায় বেশিরভাগ সিদ্ধান্তগুলোই আসে রাগের মাথায়।
সমাজে নানা কিসিমের লোকও থাকেন। কেও দায় এড়িয়ে শর্টকার্ট এ চলে যেতে চান আবার কেও অন্যের বিষয়াদি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন না। যে অন্যের বিষয়গুলো সঠিক গুরুত্ব দিতে পারেন না, সে নিজের বিষয় বস্তুকেও গুরুত্ব দিতে পারবেন না বলেই মনে করি। সিনেমাটা থেকে অনেক কিছুই চাক্ষুশ দেখা হল। যা বাস্তবিক জীবনেও পার করতে হয়। কিন্তু এক সাথে সব মিলিয়ে দেখা হয় না। ভালো লাগলো সিনেমা।

শব্দ অপচয়, শব্দ(কথা) দূষণ

সাতশ অধিক শব্দ লিখার পর মনে হল, এতো কথা লিখবো, মানুষ কেন কষ্ট করে পড়বে?
শব্দ অপচয়, শব্দ(কথা) দূষণ এগুলাই আমাদের অভিধানে আসুক। মানুষ বুঝতে থাকুক সব শব্দ প্রয়োজন নেই আসলে। …

শ্রীপুরে উল্কাপাত পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প অভিজ্ঞতা

দিন কাল মোটেও যাচ্ছে না ভালো। তার মধ্যে প্রকৃতির খেয়াল হয়েছে অদ্ভুদ। আমার জন্মদিনকার একদিন বাদেই উল্কাপাত হবে। হ্যাঁ, ঠিকই অনুমান করেছেন, ২০ তারিখের উল্কাপাত এবং অনুসন্ধিৎসু বন্ধুদের সাথে উল্কাপাত পর্যবেক্ষণের কথাই বলছি। স্ট্যাটাস দীর্ঘ হবে। নিজ দায়িত্বে পড়বেন।
Continue reading…

আমায় আকাশ বললো, তোমার দু’চোখ মেঘ রঙ দিয়ে আঁকতে

“আমায় আকাশ বললো, তোমার দু’চোখ মেঘ রঙ দিয়ে আঁকতে,
শুনে সাগর বললো, তা’কি করে হয়! তার এতো নীল থাকতে?
আমি কাকে খুশি করি বলো?

যখন ভাবছিলাম, তোমায় কি দেব নতুন নাম!
তখন পাখীরা বললো, তাদের নামেতে তোমায় এখনি ডাকতে,
শুনে ফুলেরা বললো, তা’কি করে হয়! তাদের এতো নাম থাকতে?
আমি কাকে খুশি করি বলো?”

(মান্না দে এর গাওয়া একটি গান এর লিরিকস)

পাবলিকের ওই হ্যাডমগিরি

এক বাস কাউন্টারে বসে ছিলাম। কাউন্টারে ছিল ওয়াল ফ্যান (ওই যে টেবিল ফ্যান ওয়ালে ঝুলাই রাখে, সুতা দিয়ে সুইচ কানেক্ট হয় ওগুলা)
একটা কাজে বসে অপেক্ষা করছি। বন্ধু আসবে। ওইখানকার এক ২০-২২ বছরের ছেলে ফ্যানের সুতা ধরে হেচকা টান মারল। টান মারা কারণে সুতার নিচের অংশ গেল ছিড়ে। কাউন্টারের দুজন লোক ছিল, তারা দিলো মৃদু ধমক! কাউন্টারের লোকের মৃদু নায্য ধমকের জোরে ওই ছেলের প্রেস্টিজ যেন ভাঙা কংক্রিটের দেয়ালের মতন খুয়ে খুয়ে পড়তে লাগলো। শুরু হল তর্কা তর্কি। তার পরিচয় হ্যান ত্যান তাকে কেন মৃদ্যু ভৎর্সনা করা হইলো তার জবাব কি? এদিকে আরেক কাউন্টারের লোক ছেলেটাকে হালকা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। প্রেস্টিজ তো আর থাকে না! ফোন দিলে ওই ছেলের হ্যাডমদের! তারা আসলো। আসা মাত্রই শুরু হল দুমাদম মার। কাউন্টারের লোক মার খেতেই থাকলো ১০-১২ জনের ছেলের হাতে। শার্ট ছিড়ে তাদের মোটামুটি শায়েস্তা করার পর কোথা থেকে বাংলা সিনেমার মতন, মূল ঘটনা সুসমাপ্ত হবার পর পুলিশের আবির্ভাব। আমি অবাক হৈলাম, পুলিশের সামনেই তারা চলে গেল পুলিশ ধরলো না। পুলিশ আগে ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন!
Continue reading…

বাপের কাছে বায়না ধরে গ্যাজেট বাড়াইয়া ইশটেটাশ বাড়ানো সম্ভব কিন্তু ব্যক্তিত্ব বাড়াইতে হইলে নিবিড় চর্চা ও দীর্ঘদিনের পরিশ্রম প্রয়োজন

গ্যাজেট বাড়াইয়া স্ট্যাটাস বাড়ানোর দিকে আমাদের যতটা মনযোগ ব্যক্তিত্ব বাড়ানোর দিকে মনযোগ ততটাই কম।
অদ্ভুদ হলেও সত্য, এখনকার সমাজে আইফোন, নকিয়া লুমিয়া, স্যামসাং গ্যালাক্সি কিংবা ডিএসএলআরকে স্ট্যাটাস লেভেল করার উপায় বিবেচিত করা হয়। কিন্তু কথা এটা নয়। টাকা থাকলেই যে ওই গ্যাজেট নির্ভর স্ট্যাটাস ধরা যায় তা কিন্তু প্রকৃত স্ট্যাটাস মূল্যায়ন করে না। হাস্যকর হলেও সত্যি আমি অবাক হই হচ্ছি, হাল আমলের স্মার্ট ফোন অনেক কাজ বৃদ্ধাঙ্গলের নাগালে আনতে পারলেও কমনসেন্স নামক জিনিসটা দুলর্ভ ই রয়ে গেছে। তাই দেখা যায়, গ্যাজেটওলারা রাস্তায় হাটতে চলতে ফিরতে বৃদ্ধাঙ্গলির কায়দা কসরত করতে করতে হাটেন। কখনো কাওকে মাড়িয়ে যান। কখনো নিজেও বিব্রত হন। তাদের সময় সচেতনতা দেখে ভালো লাগে। তাদের শেয়ারিং কেয়ারিং মনোভাব ভালো লাগে। কিন্তু একই ভাবে তারা ব্যর্থ হন সাধারণ কমনসেন্স প্রয়োগ করতে। যার কারণে কারো সাথে কথা বলা সৌজন্যতাবোধ নিয়ে তাদের মাথা ব্যাথা থাকে না। মজার দুনিয়ায় সব যেন ফানি!
টাকা হলেই, বাপের কাছে বায়না ধরে গ্যাজেট বাড়াইয়া ইশটেটাশ বাড়ানো সম্ভব কিন্তু ব্যক্তিত্ব বাড়াইতে হইলে নিবিড় চর্চা ও দীর্ঘদিনের পরিশ্রম প্রয়োজন।

মহাকাশ গবেষণা মানে কেবল ভিন গ্রহে প্রাণ অনুসন্ধান না

ইতিহাস সৃষ্টি করে ভারতের মঙ্গল যান মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথে – এ সংক্রান্ত বাংলা সংবাদগুলো পড়ছিলাম। পুরনো খবর। পড়তে পারি নাই তাই পড়ছিলাম। অনেক পত্রিকা লিখছে যানটি মঙ্গলগ্রহে পৌছেছে (!!!) হা হা
আমরা কখনো এভাবে কি ভেবে দেখি, কি পরিমাণ টেকনোলজিক্যাল উন্নয়ন করলে পরে এরকম একটা অভিযান করা সম্ভব? আমরা কেবল নিউজটা পড়েই অন্য নিউজ ক্লিক করে বা স্ক্রোল করে চলে যাই।
Continue reading…

এক স্মার্ট

সেদিন দেখলাম, এক স্মার্ট ব্যস্ত রাস্তায়, এক স্ম্যাট ইয়ং ছেলে, স্মার্ট ফোন স্মার্ট কায়দায়, বৃদ্ধাঙ্গলি দিয়ে টিপাটিপি করতে করতে নগরীর স্মার্ট ম্যানহোলে পড়ে গেল। যেহেতু স্মার্ট কায়দায় পড়েছে তাই ম্যানহোলে অর্ধেক পড়ে আটকে গেছে। তৎক্ষাণিক উঠে যাবার পরপরই, শরীর ঠিক আছে কিনা তার চেয়েও বেশি জুরুরী স্মার্টফোনটা!! – এটা হৈলো এযুগের স্মার্টনেস!

কিছু শব্দ শুনি কান দিয়ে, আর কিছু শুনি মন দিয়ে

কিছু শব্দ শুনি কান দিয়ে, আর কিছু শুনি মন দিয়ে। মন দিয়ে শোনা শব্দগুলো কম্পনে/তরঙ্গে উৎপন্ন হয় না।
মন দিয়ে শোনা শব্দগুলো শোনতে গেলে লাগে মন। সেই মনে বড় ক্লান্তি। ক্লান্তির ছাপ। মনের শব্দগুলো শুনতে শুনতে। … বিরতি দরকার।