অক্টোবর ১০

গতকাল সবাই মিলা রূপম ভাইরে জ্বালাইছি। সেটার শাস্তি স্বরূপ উনি বাসায় তলব করলেন। আমি তো মহাখুশী। ফাউ ফাউ মজার রঙ চা খামু। ঝাড়ি না হয় এক কান দিয়ে ঢুকাইয়া আরেক কান দিয়া বাইর করে দিমু। গেলাম। দু কাপ রঙ চা খাওয়া হল। সাথে গেছিলে দরিদ্র। দরিদ্র একটু বেশি খায় বলে মাংস দিয়ে বানানো নুডলস ছাপা করে দিয়ে আসছে। আমি নুডলস খাই না।
Continue reading…

চন্দ্রগ্রহণ চাঁদের ছবি

গতকাল চন্দ্রগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প এ ছিলাম তার সাক্ষ্য প্রমাণ রাখলাম এই সামান্য ছবিটি তুলে। চন্দ্রগ্রহণ সময়কাল ছবি তুলতে পারি নাই। কেবল চাঁদটার ছবি তুলতে পারছি। চাঁদের রূপ তো সব সময়ই একই। এরকম ছবি বহু মানুষই তোলেন। বিশেষত্ব নাই। তাও ভালো আমার মতন নাদান পাবলিক পারছে! তাতেই আমি খুশি।

Continue reading…

কুরবানির ঈদ

আমি নিজে খুব ভীতু প্রকৃতির মানুষ। ছোট বেলায় খুব সাহস ছিল হয়তো অন্যদের মতন। এখন নাই। কারণ জানি না। ভীতু এই অর্থে বললাম আমি কুরবানির সময় জবাই করা দেখতে পারি না। একদম ই পারি না। কাটাকাটি খুব প্রয়োজন না হলে করিও না। এইবার কোনভাবে বাসায় ম্যানেজ করতে পারছি। আমাকে কাটাকাটি করতে হচ্ছে না। কেবল মাংস গিয়ে নিয়ে আসতে হবে।
Continue reading…

ভারতীয় প্রধান মন্ত্রী মোদি

ভারতীয় প্রধান মন্ত্রী মোদি -কে দেখলাম রাস্তায় ঝাড়ু দিতে। অবশ্যই ছবিতে দেখছি কিন্তু এতো সুন্দর পরিষ্কার জামা কাপড় পরে কেও ঝাড়ু দিতে পারে! ব্যাপারটা এরকমই হয় আর কি! লোক দেখানো ব্যাপার সেপার।
সত্যি সত্যি ঝাড়ু দিলে সাধারণ একটা পোশাক পরেই ঝাড়ু দিতেন।
কথাটা আমাদেরও নেতা কর্মী যারা আছেন তাদের সাথে যায়। তারা স্যুট প্যান্ট টাই পরে গরমের মধ্যে আনুষ্ঠানিকতা দেখায় যান। যেমন যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রায়ই দেখা যায় রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতেছেন। ব্যাপক কষ্ট আর পরিশ্রম ত্যাগ স্বীকার করছেন। কোট টাই পইড়া এইটাই সমস্যা।
আরও কিছু গণ্যমান্য লোক দেখি নানাবিধ কর্ম সাধন করেন। আমার বিনোদন এর অভাব হয় না। ইদানিং ফান পত্রিকাগুলো পড়ি ই না। এগুলাই দেখি আর পড়ি।

অধ্যাপক জাফর ইকবাল

অধ্যাপক জাফর ইকবাল ছোট দের লেখক হিসাবে চমৎকার ছিলেন। অন্যদের মতই আমার প্রিয় একজন লেখক। ছাত্রদের কাছে হয়তো ভালো শিক্ষকও। সেটা জানি না। কিন্তু ইদানিং তার সাদা কথন বড় উদ্ভট লাগে পড়তে। বিস্তারিত লিখার ইচ্ছা নাই। মনের কথা বললাম। ইচ্ছা হলে পড়বেন নাইলে নাই। এক লেখায় দেখলাম তাকে সোজা ভাষায় বাটপার বলা হচ্ছে।
অনেকের মতন আমার পরামর্শ থাকবে, আপনি বাচ্চাদের জন্যই লিখুন। আর কান্নাকাটি আর মন খারাপ করে থাকা লাগবে না। সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা হইলেই এতো এতো সমস্যা সমাধান হবে না। ভুয়া যুক্তি না দেখালে ভালো লাগে।