১৫ এর পহেলা বৈশাখ!

ছিঃ বললেও গা ঘিন ঘিন করে ওই শুয়োরের বাচ্চাদেরকে। এরা কোন প্রাণীকুলেরই প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্যতা রাখে না। এমন কোন দিবস নাই এরকম ঘটনা ক্রমাগতই ঘটানো হচ্ছে। মানুষ জন ক্রমেই নির্লিপ্ত থেকে নির্লিপ্ত হচ্ছে। তাই হাজারো মানুষের ভিড়ে এইসব ঘটনাগুলো ঘটে যায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এই তোমার চিত্র? এই তোমার শ্রী?
আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এই তোমাদের মেরুদণ্ডের জোর! বাহ! চমৎকার।
“টিএসসির সামনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেইটের বাইরে যেখানে নারীদের ওপর এই হামলা হয়, সেখান থেকে কয়েক গজ দূরেই গত ফেব্রুয়ারিতে সন্ত্রাসীদের চাপাতির আঘাতে প্রাণ হারান লেখক অভিজিৎ রায়।” বিডিনিউজ
আমি জানতে চাই, দায়িত্ব-রত পুলিশেরা কাদের দায়িত্ব পালন করছেন বর্তমানে? তারা কি জনগণের টাকা খেয়ে ওই সন্ত্রাসীদেরই দায়িত্ব অত্যন্ত সততার সাথে পালন করছে? বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এর দায়িত্বটা কি?
ওই ইতর শুয়োরদের শাস্তি দেয়ার আগেই এই পুলিশরা কি শাস্তি পাবে না তাদের এই গাফিলতির জন্য?
আর সংবাদপত্র! বলবো কি? প্রতিবাদ করলে হাত ভাঙতে হয় এটাই বুঝে ফোকাস করা লাগে। তার মানে এর পর কেও প্রতিবাদ করলে হাত ভাঙবে তাই প্রতিবাদ করতে যেও না। এসব লুতুপুতু মার্কা রিপোর্ট করা বাদ দিয়ে ওই শুয়োর ইতরদের নাম ধাম আর ছবি প্রকাশ করুন।
আমরা জানতে চাই এই শুয়োরগুলো কারা। জনগণই এদের প্যাকেট করবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে না হলে অন্য কোন খানে ঠিকই এদের প্যাকেট করা হবে।

দিপুদের বাসায় পহেলা বৈশাখ আনন্দ আয়োজন!

আমরা খেতে পছন্দ করি এমনটা না বলে আমাদের মায়েরা খাওয়াতে বড় বেশি পছন্দ করেন এটা বললে বরং অধিকতর যুক্তি সংগত হয়। কেবল সরল ভালোবাসা আর নির্মল আনন্দ এর জন্য এত আনন্দ আর ভালোবাসা যে মায়েরা দিতে জানেন তা ভেবে কখনই হতাশার পৃথিবীতে হতাশ হই না। হাসি খুশি আর নির্মল আনন্দ এখনো রয়েছে পাশাপাশি দুশ্চিন্তা, হতাশা, দুর্ঘটনা ইত্যাদি নেতিবাচক শব্দগুলোও রয়েছে। সব মিশ খেয়ে এখনো বেঁচে আছি বলা যেতে পারে।
Continue reading…