ঋণ

কারো ঋণ কি কখনও শোধ হয়? হয় না। একুশের ভাষা শহীদদের ঋণ কি আমরা শোধ করতে পারবো? কিংবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের? পারবো না কখনই। তারপরও আলোচনা উঠে, ওমুক কাজটি করে চেষ্টা করি ওমুকের ঋণটি শোধ করার। কথাগুলো ঠিক নয়।
আমরা যখন কারো নামে, কিংবা কারো উদ্দেশ্য করে কিছু করি, সেটার কারণ থাকে তাঁর করে যাওয়া কাজকে সম্মান দেখান, তাঁর ত্যাগকে সম্মান জানানো। বিগত মহৎ মহানদের ঋণ কখনই শোধ হবার নয়।
আমরা কেবল নানা উপায়ে তাঁদের সম্মান জানাতে পারি, আর তাঁদের কাজকে নতুন করে তুলে ধরতে পারি।

মৃত্যু

মৃত্যুর কাছাকাছি ই আছি আমি
আমি জানি মৃত্যু কেমন
ঘুম ঘোরে কিংবা চেতনায় মৃত্যু এসেছে বারবার আমার কাছে
তবুও জীবনকে ভালবেসে আকড়ে ধরে
আমি আজও বেঁচে আছি।

তোমরা যারা, মৃত্যুকে ভাবো ফ্যান্টাসি
তোমরা যারা, অল্পতেই যাবে মরে বলে যাও
তোমরা যারা, মৃত্যুকে নিয়ে করো উপহাস
তোমরা তারা, জীবনটা এখনও দেখনি

জীবন না মৃত্যু কে সেরা
মৃত্য না জীবন কে জিতবে
তা চিরঘোষিত চির সত্য মরণরই হয় জয় অবশেষে
তবুও জীবন জিতে সারাজীবন বাঁচার মতন বেঁচে থেকে

তাইতো বেঁচে আছি আজো
বাঁচতে চাই যত কাল পারি মৃত্যুকে হারিয়ে।

খসড়া ১.০০