বাপের কাছে বায়না ধরে গ্যাজেট বাড়াইয়া ইশটেটাশ বাড়ানো সম্ভব কিন্তু ব্যক্তিত্ব বাড়াইতে হইলে নিবিড় চর্চা ও দীর্ঘদিনের পরিশ্রম প্রয়োজন

গ্যাজেট বাড়াইয়া স্ট্যাটাস বাড়ানোর দিকে আমাদের যতটা মনযোগ ব্যক্তিত্ব বাড়ানোর দিকে মনযোগ ততটাই কম।
অদ্ভুদ হলেও সত্য, এখনকার সমাজে আইফোন, নকিয়া লুমিয়া, স্যামসাং গ্যালাক্সি কিংবা ডিএসএলআরকে স্ট্যাটাস লেভেল করার উপায় বিবেচিত করা হয়। কিন্তু কথা এটা নয়। টাকা থাকলেই যে ওই গ্যাজেট নির্ভর স্ট্যাটাস ধরা যায় তা কিন্তু প্রকৃত স্ট্যাটাস মূল্যায়ন করে না। হাস্যকর হলেও সত্যি আমি অবাক হই হচ্ছি, হাল আমলের স্মার্ট ফোন অনেক কাজ বৃদ্ধাঙ্গলের নাগালে আনতে পারলেও কমনসেন্স নামক জিনিসটা দুলর্ভ ই রয়ে গেছে। তাই দেখা যায়, গ্যাজেটওলারা রাস্তায় হাটতে চলতে ফিরতে বৃদ্ধাঙ্গলির কায়দা কসরত করতে করতে হাটেন। কখনো কাওকে মাড়িয়ে যান। কখনো নিজেও বিব্রত হন। তাদের সময় সচেতনতা দেখে ভালো লাগে। তাদের শেয়ারিং কেয়ারিং মনোভাব ভালো লাগে। কিন্তু একই ভাবে তারা ব্যর্থ হন সাধারণ কমনসেন্স প্রয়োগ করতে। যার কারণে কারো সাথে কথা বলা সৌজন্যতাবোধ নিয়ে তাদের মাথা ব্যাথা থাকে না। মজার দুনিয়ায় সব যেন ফানি!
টাকা হলেই, বাপের কাছে বায়না ধরে গ্যাজেট বাড়াইয়া ইশটেটাশ বাড়ানো সম্ভব কিন্তু ব্যক্তিত্ব বাড়াইতে হইলে নিবিড় চর্চা ও দীর্ঘদিনের পরিশ্রম প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *