অক্টোবর ১০

গতকাল সবাই মিলা রূপম ভাইরে জ্বালাইছি। সেটার শাস্তি স্বরূপ উনি বাসায় তলব করলেন। আমি তো মহাখুশী। ফাউ ফাউ মজার রঙ চা খামু। ঝাড়ি না হয় এক কান দিয়ে ঢুকাইয়া আরেক কান দিয়া বাইর করে দিমু। গেলাম। দু কাপ রঙ চা খাওয়া হল। সাথে গেছিলে দরিদ্র। দরিদ্র একটু বেশি খায় বলে মাংস দিয়ে বানানো নুডলস ছাপা করে দিয়ে আসছে। আমি নুডলস খাই না।

তার বাসায় যাওয়ার আগে সিনেমা নিয়া যাইতে কইছিল। আমি বাইছা বাইছা রুমান্টিক একটা সিনেমা নিয়ে গেছি। যাতে দেখলে মাথাডা দুইদিন উদাস হইয়া থাকে। গপ্প সপ্প শেষ করার পর, উনারে বড় বাজারে টাইন্যা আনলাম। উনি নাকি আসবেনই না। জোর জবরদস্তি মানসিক টর্চার সব বাবদ তিনি আসতে বাধ্য হইলেন।

আমাদের ছোট্ট বন্ধু আর নীল সাগররে ফোনাইলাম। ছোট্টবন্ধুরে কইলাম আইটি গুরুরে ফোনাইতে। এদিকে দ্বিতীয় মুক্তমনা (!) কেমনে কেমনে জানি বন্ধু লইয়া উপস্থিত ছিল।

রূপম ভাইয়ের পকেট থেকে ১০ টেকা রিকশা ভাড়া খরচা করাইয়া আমরা আরামচে বড় বাজার মোতালেব টি স্টল এ উপস্থিত হলাম।
তারপর চলল আড্ডা। নুপম ভাই যে কি পরিমাণ খ্রাপ তা আড্ডা শুরু হইলে বুজতে পারা যায়। সবার সময়েরই দাম আছে কিন্তু তারে বাইর করছি বইল্যা সে আর বাসায় যাইবো না এতো জলদি! নানা বিষয় এ আমরা বিতর্ক কুতর্ক সবই করলাম। জিলাপীর প্যাচ দিয়ে আবার প্রমাণ করলাম কেও কেও অতর্ক করে হুদা কাজে।

এদিকে সাইকেল নিয়ে পরিবেশবাদী এলাকার আইটিগুরু হাজিরা দিয়ে পালাইতে চায়। আমরা তো সেই সুযোগ দেই না। তাকে বসাই রাইখ্যা চা পান করলাম। যদি জীভ পুরে যায় এই ভয়ে সে চা খায় না।
তাকে রিকোয়েস্ট করায় চা বিলটা দিয়া মহৎ দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। এভাবে আমাদের ঈদ পরবর্তী মিট টুগেদারেরও শুভ সমাপ্তি হইলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *