নিকোলা টেসলা

Capture

ছবির এই ছিমছাম সাঁজের লোকটির নাম নিকোলা টেসলা। জুলাই মাসের ১০ তারিখ ১৯ শতকের এক ক্ষণে জন্মে ছিলেন। জন্মের সময় হয়তো কেও বুঝতে পারেন নি টেসলা আসলে কি হতে যাচ্ছেন! যার জন্য গোটা পৃথিবী তাকে বার বার স্মরণ করবে! কিংবা ছোট্ট এক দেশের ছোট খাট এক মানুষ ফেসবুকে কুইজ করবে তাকে নিয়ে।

নিকোলা টেসলা।। জুলাই ১০, ১৮৫৬ – জানুয়ারি ৭, ১৯৪৩

টেসলার পরিচয় ছোট করে দেয়া সম্ভব নয়। টেসলা কি ছিলেন? সেই প্রশ্নের উত্তরে বলতে হয়, তিনি একাধারে আবিষ্কারক, ইঞ্জিনিয়ার এবং পদার্থবিদ। আরো নানা কাজের কাজী বলা যেতে পারে টেসলাকে। বলা হয়ে থাকে, আধুনিক এসি বিদ্যুৎ(অল্টারনেটিং কারেন্ট) এবং তারবিহীন বিদ্যুৎ পরিবহন বিদ্যার অন্যতম জনক তিনি।
তার সময়কার অসম্ভব জনপ্রিয় টেসলা আমাদের কাছে অতটা পরিচিত নন ঠিকই। তবে ছোট একটা ঘটনা বলি। একবার আইনস্টাইনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সারা পৃথিবীর স্মার্টেস্ট ব্যক্তি হিসাবে আইনস্টাইন এর কেমন লাগে! উত্তরে আইনস্টাইন প্রশ্নটি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, এই প্রশ্নটি নিকোলা টেসলাকে করতে পারেন।

কেবল এসি বিদ্যুৎ নয়, রোবটিক্স, রেডিও, রিমোট কন্ট্রোলার, মিসাইল এবং নিউক্লিয়ার গবেষণাতেও টেসলা’র অবদান অনস্বীকার্য। যেসব বিজ্ঞানীরা উদোক্তা তাদের আবার আমার বিশেষ পছন্দ। ১৮৮৬ সালে টেসলা প্রতিষ্ঠা করেন নিজ কোম্পানি টেসলা ইলেকট্রিক লাইট অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং। তবে পয়সার অভাবে উদ্যোগটি মারা যায়। দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের অন্যতম কারিগরও ছিলেন তিনি। দুই শতাধিক পেটেন্ট তিনি করেছিলেন। রেডিও আবিষ্কারে এডিসনের সাথে তার ভূমিকাও ছিল অনেক।

সাদাকালো ছবিতে যে সময়কার টেসলাকে দেখা যাচ্ছে, তখন বয়স তার ৩৪। পৃথিবীতে শত শত বিজ্ঞানী জন্মেছেন। আরো শত শত জন্মাবেন। সবাইকে মনে রাখা সম্ভব নয়। তবে এই যাবৎকালের সেরা সেরা বিজ্ঞানী আইনস্টাইন, স্টিফেন হকিং, নিউটন প্রমুখদের পাশাপাশি তাদের নাম এবং অবদানের কথাও জানতে হবে যাদের নাম বই এর পাতায় থাকে না। যাদের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করলেও কেওই জবাব দিতে পারে না।

কুইজ-১ এর উত্তর সবার জানা হল। যারা জবাব দিয়েছেন তাদের জবাব পুরস্কার দেয়ার মতন নয়। উইকিপিডিয়া ঘাটলে সুন্দর অনেক তথ্য পেতেন। তাই এবারের কিটকাট পুরস্কার আমি ই খাবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *