মৃত্যু লঞ্চ দুর্ঘটনা

মনে মনে খুশি না, খুব দুঃখিত। বরিশাল থেকে আসার পর গত ১৩ দিনে দুটি লঞ্চ ডুবির ঘটনা ঘটলো। পানির নিচে শ্বাস রোধ হয়ে এবং ফুসফুসে পানি ঢুকে মরে যাওয়াটা খুব কষ্টকর একটা মুহূর্ত। সর্বশেষ মেঘনার লঞ্চ ডুবিতে ১১ জনের লাশ উদ্ধার করা গেছে। যাত্রী ছিলেন ৩০০। মৃত্যু স্বাভাবিকভাবেই ১১ জনেরও বেশি হবে। এমন যদি হত, বরিশালে আমাদের সাথে যারা ছিলেন সবাই মারা গেলেন।… তখন এই স্টেটাসটা আর লিখা হত না। বিপদ নিজের, এমনকি নিজের সবচেয়ে আপনজনদেরও হতে পারে তা ভাবনাতেই আসে না বা আনতে চাই না। বিপদ পথ এড়িয়ে চলি। আর যাদের কিছুই করার নেই তাদের মৃত্যু হাতে নিয়ে চলাচল করতে হয়। কিছুই কি করার নেই?

আমার মরে যাবার ভয় আছে। আমি সহ দিপু সাঁতার পারি না। বাকী যারা ছিলেন সাঁতার পারেন। আমি রিস্ক নেই নাই। জানি ঝড়ের সময় অবস্থা কি হবে তার ঠিক ঠিকানা নাই। তারপরো মানসিক শক্তি আর অন্তত যদি ভেসে থাকতে পারি তার আশায় লাইফ জ্যাকেট কিনে নিয়েছিলাম। আমাদের আসা যাওয়ার পথে কোন সমস্যা হয় নি।

এই যে প্রতিবছর নদীপথে এত এত মানুষ মারা যায়, অনাকাঙ্খিত মৃত্যু বন্ধ করার কোন পথ কি নাই? 🙁

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *